চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে একাডেমিক ও জ্ঞানভিত্তিক যোগাযোগের ইতিহাস প্রায় এক হাজার বছরের বলে মন্তব্য করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘চাইনিজ কালচার ডে’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার বলেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে। বিশেষ করে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক দক্ষিণের উন্নয়নে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বড় সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতিকে ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। কারণ পারস্পরিক সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া তৈরি না হলে সম্পর্ককে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এরই মধ্যে কয়েকটি প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। এসব সহযোগিতা শুধু সংস্কৃতি বা ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বিজ্ঞান, চিকিৎসা ও জীবনবিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রেও যৌথ গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ তৈরি করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চীনের স্থাপত্য ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভবনেও চীনা স্থাপত্যের অংশীদারত্ব রয়েছে। অর্থাৎ দুই পক্ষের যাত্রা ইতোমধ্যেই একসঙ্গে শুরু হয়েছে, এখন সেটিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সময়।
ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু দুই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক দক্ষিণের জ্ঞান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও বিস্তৃত হবে।